
পিঠের হাড়ে ফ্র্যাকচার ধরা পড়েছে, যে কারণে খেলা ও অনুশীলন থেকে আপাতত দূরে থাকতে হবে তানজিমকে।
পিঠের চোট আগে থেকেই বয়ে বেড়াচ্ছেন তানজিম হাসান। আর পেসারদের পিঠের চোট মানেই তো কখনো ভালো না হওয়া এক সমস্যায় ভোগার শঙ্কা! জাতীয় দলের এই পেসারও এখন পড়েছেন সে দোদুল্যমানতায়। এ বছরের জানুয়ারিতে বিপিএলে পাওয়া চোটের পর বেশ কয়েক মাস বলতে গেলে মাঠের বাইরেই কেটেছে তানজিমের। ৫ ফেব্রুয়ারি ঘরোয়া অদম্য বাংলাদেশ টি–টুয়েন্টি কাপে একটি ম্যাচ খেললেও এরপর আবার মাঠে ফিরতে পেরেছেন চট্টগ্রামে বাংলাদেশ–নিউজিল্যান্ড প্রথম টি–টুয়েন্টিতে। এর আগে সিরিজের তৃতীয় ওয়ানডের স্কোয়াডে রাখা হলেও ম্যাচ খেলা হয়নি তানজিমের। নিউজিল্যান্ড সিরিজের প্রথম টি–টুয়েন্টিতে সুযোগ পেয়ে ৪ ওভারে ৪০ রানে ১ উইকেট নিয়েছেন। দ্বিতীয় টি–টুয়েন্টিটা তো বৃষ্টির কারণে হলোই না। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে শেষ টি–টুয়েন্টিতে হয়তো খেলতেন, কিন্তু তার আগের দিনই তানজিম আবারও পিঠে ব্যথা অনুভব করেন। যে কারণে শেষ ম্যাচে তো তাঁর খেলা হয়ইনি, এই পেসারকে নিয়ে এবার সতর্ক অবস্থানেই চলে গেছে বাংলাদেশ টিম ম্যানেজমেন্ট ও বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ। জানা গেছে, ব্যথা না কমায় তানজিমের পিঠের হাড়ের বিশেষ একধরনের এমআরআই করানো হয়েছে। আজ এ প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত এমআরআই টেস্টের আনুষ্ঠানিক রিপোর্ট হাতে পায়নি বিসিবির মেডিক্যাল বিভাগ। তবে একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে, তাঁর পিঠের হাড়ে ফ্র্যাকচার ধরা পড়েছে, যে কারণে খেলা ও অনুশীলন থেকে তাঁকে আপাতত দূরে থাকতে হবে। পাকিস্তানের বিপক্ষে সিরিজের টেস্ট দলে এমনিতেই নেই তানজিম। পিঠের চোট মাথাচাড়া দিয়ে ওঠায় প্রিমিয়ার ক্রিকেট লিগে খেলা নিয়েও এখন তৈরি হয়েছে সংশয়। লিগে প্রাইম ব্যাংক ক্রিকেট ক্লাবের হয়ে খেলার কথা তাঁর। বিসিবির সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে, চোট এবং সম্ভাব্য চিকিৎসার ব্যাপারে নিশ্চিত হওয়ার আগ পর্যন্ত তানজিমকে খেলা ও অনুশীলন থেকে দূরে থাকার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে তিনি যেহেতু পেস বোলার, এ ক্ষেত্রে কোনো রকম ঝুঁকি নিতে চায় না বিসিবি। প্রয়োজনে দেশের বাইরে পাঠিয়ে করানো হতে পারে উন্নত চিকিৎসা। এ ব্যাপারে জানতে চাইলে বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশিষ চৌধুরী অবশ্য এখনই বিস্তারিত বলতে চাননি। তবে তিনি জানিয়েছেন, চোটের অবস্থা বুঝে তানজিমের চিকিৎসা বা খেলা চালিয়ে যাওয়ার ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নিে আরও দু–এক দিন লাগতে পারে। তাঁর পিঠের হাড়ের ফ্র্যাকচার সম্পর্কে দেবাশীষ বলেন, ‘পেসারদের এ রকম সমস্যা থাকেই। তবে এমআরআই রিপোর্ট হাতে পেলে বোঝা যাবে সমস্যা কতটা মারাত্মক। তার ওপর নির্ভর করবে আমরা কোন চিকিৎসা প্রক্রিয়ায় যাব।’Published: আপডেট: ০৪ মে ২০২৬, ১২: ৪৮
Source: https://www.prothomalo.com/sports/cricket/dio4f040em
Comments Section
Comments
Processing your comment...
Share Your Thoughts
No comments yet
Be the first to share your thoughts!