
কেন্দ্রের সুপার মাওলানা মু. নুরুল আমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মাওলানা মু. আ. রব জানান, গত মঙ্গলবার আরবী দ্বিতীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষায় পরীক্ষা কক্ষে একজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীকে খাতা দেখতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বড়ডালিমা দাখিল মাদরাসার পরীক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা ঘটে। #দাখিল পরীক্ষা #পরীক্ষাকেন্দ্র
পটুয়াখালীর বাউফলের ধানদী কামিল মাদরাসা পরীক্ষা কেন্দ্রে দেশীয় অস্ত্রসহ সিফাত (১৫) নামে এক ছাত্রকে আটক করা হয়েছে। একই ঘটনায় মো. মাসুম মৃধা, মো. সিহাব হোসেন, মো. মিয়াদ হোসেন, মো. হৃদয় হোসেন, মো. নয়ন হোসেন নামে পাঁচ দাখিল পরীক্ষার্থীসহ মোট ছয় জনকে থানায় পাঠানো হয়েছে। হাতেনাতে অস্ত্রসহ আটক সিফাত উপজেলার বড়ডালিমা গ্রামের জহিরুল ইসলামের ছেলে। স্থানীয় ছোটডালিমা আব্দুস সালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। দাখিল পরীক্ষার্থী মো. মাসুম মৃধা ও মো. সিহাব হোসেন উপজেলার রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার এবং মো. মিয়াদ হোসেন, মো. নয়ন হোসেন ও মো. হৃদয় হোসেন বড়ডালিমা দাখিল মাদরাসা থেকে দাখিল চলতি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছিল। কেন্দ্রের সুপার মাওলানা মু. নুরুল আমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মাওলানা মু. আ. রব জানান, গত মঙ্গলবার আরবী দ্ব���তীয় পত্র বিষয়ের পরীক্ষায় পরীক্ষা কক্ষে একজন অনিয়মিত পরীক্ষার্থীকে খাতা দেখতে না দেওয়াকে কেন্দ্র করে পরীক্ষা শেষে রামনগর ইসলামিয়া দাখিল মাদরাসার শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বড়ডালিমা দাখিল মাদরাসার পরীক্ষার্থীদের মারামারির ঘটনা ঘটে। বিষয়টি আজ বৃহস্পতিবার বাংলা প্রথম পত্র বিষয়ের পরীক্ষা শুরুর পূর্বে দুই মাদরাসার শিক্ষকদের মাধ্যমে সমঝোতাও হয়। তবে পরীক্ষা শেষে দুই প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা পুনরায় বিবাদে জড়ানোর পরিস্থিতি তৈরী হয়। একপর্যায়ে পরীক্ষা কেন্দ্রে থেকে বের হওয়ার পথে কেন্দ্রে কেন্দ্রে দায়িত্বপালনরত এসআই সিহাবের সহোযোগিতায় অস্ত্রসহ পাশের ছোটডালিমা আব্দুস সালাম মৃধা মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নবম শ্রেণির ছাত্র সিফাতকে ব্যাগে বহনকরা একটি কুড়ালসহ আটক করা হয়। এসময় পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় সুইচ গিয়ারসহ দেশিয় অস্ত্রসহ তার আরো কয়েক সহোযোগি। এ ঘটনায় মো. মাসুম মৃধা, মো. সিহাব হোসেন, মো. মিয়াদ হোসেন, মো. হৃদয় হোসেন, মো. নয়ন হোসেন নামে আরো পাঁচ দাখিল পরীক্ষার্থীসহ মোট ছয় জনকে থানায় পাঠানো হয়েছে। মাওলানা মু. নুরুল আমিন ও দায়িত্বপ্রাপ্ত মাওলানা মু. আ. রব আরো জানান, আটক সিফাতের স্বীকারোক্তিতে জানা গেছে সে বড়ডালিমা দাখিল মাদরাসার দাখিল পরীক্ষার্থী মিয়াদের ডাকে ব্যাগে কুড়াল নিয়ে এসেছেন। মিয়াদ তার এলাকার বড় ভাই। পরীক্ষা শেষে অপ্রীতিকর কিছু ঘটার সম্ভাবনা ছিল। তারই প্রস্তুতিতে সে কুড়াল নিয়ে আসে ও তার কয়েক সহোযোগি নিয়ে জটলা সৃষ্টি করে। এ বিষয়ে বাউফল থানার ওসি মো. সিরাজুল ইসলাম বলেন, আমি আইন শৃঙ্খলা কমিটির মিটিংয়ে আছি। আটক সবাই শিশু আইনে পড়ে। থানায় নিয়ে এসে প্রভিশন কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। তিনি আসছেন। এরপর সিদ্ধান্ত হবে। #দাখিল পরীক্ষা #পরীক্ষাকেন্দ্রPublished: 30/04/2026 05:05 pm
Comments Section
Comments
Processing your comment...
Share Your Thoughts
No comments yet
Be the first to share your thoughts!