নিউমার্কেট এলাকায় গুলিতে নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী টিটন

নিজস্ব প্রতিবেদক নিজস্ব প্রতিবেদক
Published on
1 views
1 impressions

এবার ঢাকার রাজপথে খুন হলেন শীর্ষ সন্ত্রাসী খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটন। তিনি আরেক শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমনের শ্যালক। তবে এ হত্যাকাণ্ডে ইমনকেও সন্দেহ করা হচ্ছে বলে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সংশ্লিষ্ট একটি সূত্র জানিয়েছে। আজ মঙ্গলবার রাত পৌনে আটটার দিকে রাজধানীর নিউমার্কেটের পশ্চিম পাশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহনেওয়াজ ছাত্রাবাসের স���মনে বটতলায় তাঁকে গুলি করে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। ২০০১ সালে সরকারঘোষিত ২৩ শীর্ষ সন্ত্রাসীর তালিকার ২ নম্বরে তাঁর নাম ছিল। পুলিশের ধারণা, শীর্ষ সন্ত্রাসীদের মধ্যকার অন্তঃকোন্দলে তাঁকে হত্যা করা হয়েছে। পুলিশের রমনা বিভাগের উপকমিশনার (ডিসি) মাসুদ আলম প্রথম আলোকে বলেন, নিহত ব্যক্তি শীর্ষ সন্ত্রাসী নাঈম আহমেদ টিটন বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। হত্যাকাণ্ডে জড়িত ব্যক্তিদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে জানিয়ে তিনি বলেন, ঘটনাস্থলে কোনো সিসিটিভি ক্যামেরা পাওয়া যায়নি। আশপাশের এলাকার সিসিটিভি ক্যামেরার ফুটেজ সংগ্রহ করা হচ্ছে। এর বাইরে প্রত্যক্ষদর্শীদের সঙ্গেও কথা বলে বিস্তারিত জানার চেষ্টা চলছে। ঘটনার বিষয়ে নিউমার্কেট থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মোল্লা শাহাদাত প্রথম আলোকে বলেন, রাত পৌনে আটটার দিকে মোটরসাইকেলে এসে কয়েকজন দুর্বৃত্ত এক যুবককে লক্ষ্য করে এলোপাতাড়ি গুলি চালায়। খুব কাছ থেকে তাঁর মাথাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে পাঁচ থেকে ছয়টি গুলি করে। এরপর দ্রুততম সময়ে পালিয়ে যায় তারা। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় পথচারীরা তাঁকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে কর্তব্যরত চিকিৎসক রাত ৮টা ২৭ মিনিটে তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন। এর আগে গত বছরের ১০ নভেম্বর বেলা পৌনে ১১টায় পুরান ঢাকার ন্যাশনাল মেডিকেল কলেজের সামনে প্রকাশ্যে গুলি চালিয়ে হত্যা করা হয় পুলিশের একসময়ের তালিকাভুক্ত ‘শীর্ষ সন্ত্রাসী’ তারিক সাঈফ মামুনকে। তদন্তে উঠে এসেছে, এই হত্যার নেপথ্যে ছিলেন নাঈম আহমেদ টিটনের ভগ্নিপতি শীর্ষ সন্ত্রাসী সানজিদুল ইসলাম ইমন। পুলিশ জানায়, টিটন ১৯৯০-এর দশকের শুরুর দিকে অপরাধজগতে প্রবেশ করেন। তিনি প্রথমে স্থানীয় অপরাধী চক্রের সদস্য ছিলেন এবং ধীরে ধীরে অপরাধজগতে নিজের পরিচিতি বাড়াতে থাকেন। সময়ের সঙ্গে সঙ্গে টিটন তাঁর অপরাধ কার্যক্রম বিস্তৃত করেন। তিনি একাধিক হত্যাকাণ্ডে নেতৃত্ব দেন। টিটন অস্ত্র ব্যবসার সঙ্গেও জড়িত ছিলেন এবং তাঁর নেতৃত্বে অস্ত্রের একটি শক্তিশালী নেটওয়ার্ক গড়ে ওঠে। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক হত্যা মামলা ছিল, যার মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ব্যবসায়ী বাবর এলাহী হত্যা। ২০০৪ সালে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী খন্দকার নাঈম আহমে�� টিটনকে ঢাকার ক্যান্টনমেন্ট এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে। তিনি ২০১৪ সালে বাবর এলাহী হত্যা মামলায় মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত হন। তবে ২০২৪ সালের আগস্টে তিনি জামিনে কারাগার থেকে মুক্তি পান। ২০২৪ সালের ১২ আগস্ট কাশিমপুর হাই সিকিউরিটি কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পান তিনি। পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, নাঈম আহমেদ টিটনের জন্ম ১৯৬৬ সালে। তাঁর বাবার নাম কে এম ফখরুদ্দিন ও মায়ের নাম আকলিমা বেগম।

Published: আপডেট: ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ১৭

Source: https://www.prothomalo.com/bangladesh/crime/u3hg6tryv0

Rate This Content

0.0/5 | 0 ratings
Not rated yet
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Comments Section

Comments

0 Comments

Processing your comment...

Share Your Thoughts
Replying to
Preview
0 /2000
Pick an emoji
😀 😃 😄 😁 😅 😂 🤣 😊 😇 🙂 😉 😌 😍 🥰 😘 😗 😙 😚 🤗 🤩 🤔 🤨 😐 😑 😶 🙄 😏 😣 😥 😮 🤐 😯 😪 😫 😴 😌 😛 😜 😝 🤤 😒 😓 😔 😕 🙃 🤑 😲 ☹️ 🙁 😖 😞 😟 😤 😢 😭 😦 😧 😨 😩 🤯 😬 😰 😱 🥵 🥶 😳 🤪 😵 🥴 😠 😡 🤬 👍 👎 👌 ✌️ 🤞 🤟 🤘 🤙 👈 👉 👆 👇 ☝️ 🤚 🖐 🖖 👋 🤙 💪 🙏 ✍️ 💅 🤳 💃 🕺 👯 🧘 🏃 🚶 🧍 🧎 💻 📱 ⌨️ 🖱 🖥 💾 💿 📀 🎮 🎯 🎲 🎰 🎳 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 🎷 🎺 🎸 🎻 🎭 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 💕 ❤️ 💔 💖 💗 💓 💞 💝 💘 ❣️ 💟 🔥 💫 🌟 💥 💯 🎉 🎊 🎈 🎁 🏆 🥇 🥈 🥉 🏅 🎖
No comments yet

Be the first to share your thoughts!