অনলাইন ক্লাসে কতটা লাভ, কতটা ক্ষতি?

রুম্মান তূর্য, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম রুম্মান তূর্য, বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকম
4 views
4 impressions

“শিক্ষার্থীদের সবাইও অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে কি না, ক্লাস করলেও তার প্রভাব কী হবে, সে বিষয়গুলোও ভাবা দরকার।”

মধ্যপ্রাচ্যে যুদ্ধ পরিস্থিতির কারণে জ্বালানি সাশ্রয়ের অংশ হিসেবে দেশের মহানগরী এলাকার প্রাথমিক, মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে সশরীরে পাঠদানের পাশাপাশি অনলাইনেও ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে ভাবছে সরকার। কোভিড মহামারীর অভিজ্ঞতা সামনে রেখে সরকারের এ পদক্ষেপে শিক্ষার্থীরা কতটা লাভবান হবে, আর জ্বালানি সাশ্রয়ই বা কতটা হবে তা নিয়ে প্রশ্ন ওঠেছে। সরকারের দিক থেকে যখন অনলাইন ও সশরীরের পাঠদানের সুবিধার কথা বলা হচ্ছে, তখন শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় ডিভাইস পাওয়া কতটা সহজসাধ্য হবে আর শিক্ষকরাই বা কতটা প্রস্তুতি নিতে পারবেন, তাও আলোচনায় এসেছে। শিক্ষার্থীদের সক্ষমতা নিয়ে প্রশ্ন তোলার পাশাপাশি শিক্ষকদের দিক থেকে ডিভাইসের অপব্যবহারের সম্ভাবনার কথাও এসেছে। শিক্ষাবিদ ও বিশেষজ্ঞদের মতে, ‘অনলাইন ও সশরীরে’ দুই পদ্ধতিতে পাঠদানের এই উদ্যোগ আদর্শ সমাধান নয়। তারা বিকল্প উপায়ে জ্বালানি সাশ্রয়ের বিষয়টি ভাবতে বলছেন। যেভাবে এল মন্ত্রণালয়ের সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার সকালে সচিবালয়ে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলনের বৈঠকের পর অনলাইন ও সশরীরে পাঠদানের বিষয়টি আলোচনায় আসে। সে বৈঠকের পর সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেছিলেন, বৈশ্বিক জ্বালানি সংকট বিবেচনায় স্কুল পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ‘অনলাইন ও সশরীরে’ দুই পদ্ধতিতেই ক্লাস নেওয়ার ভাবছেন তারা। অনলাইনে ক্লাস চালুর ভাবনার ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “এটা যেহেতু বৈশ্বিক সমস্যা, শুধুমাত্র বাংলাদেশের নয়। এবং আমরা জানি না এই সংকট কতদিন চলবে। “সেই কারণে আমরা ভাবছি যে অনলাইন-অফলাইন দুই সিস্টেমে আমাদের ক্লাস নেওয়ার সিস্টেম প্রবর্তন করা যায় কী না। মনে করেন সপ্তাহে পাঁচ দিন ক্লাস ছিল। এখন আমরা এসব ক্লাস লস করেছি রোজার ছুটিতে এবং বিভিন্ন রকম আন্দোলন-টান্দোলন সব মিলিয়ে। এখন আমরা স্কুল আওয়ারটাকে সিক্স ডেইজে উইক করছি। এর মধ্যে জ্বালানি সংকট কারণে আমরা অনলাইন এবং অফলাইন দুটো পদ্ধতি নিয়েই ভাবছি।” দুই পদ্ধতিতে ক্লাস নেওয়ার বিষয়ে একটি জরিপের কথা তুলে ধরে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, “ইতোমধ্যে আমরা একটা জরিপ করেছি। সেই সার্ভেতে ৮৫ শতাংশ মানুষ চাচ্ছে, তারা যেন অনলাইনে যায়। কিন্তু পুরোপুরি অনলাইনে যদি যাওয়া হয়, আমরা আবার আনসোশাল হয়ে যাব। এটা নিয়ে আমরা ভাবছি।” সেদিন বিকালে মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সভাকক্ষে ঢাকা মহানগরীর শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর প্রধান, শিক্ষা বোর্ড ও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাদের মতবিনিময় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। পরে বৈঠকে সপ্তাহে তিন দিন অনলাইন এবং তিন দিন অফলাইনে (সশরীরে) ক্লাস পরিচালনার বিষয়ে ‘প্রাথমিক সিদ্ধান্ত’ হওয়ার কথা বলেন সংশ্লিষ্টরা। আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক খন্দোকার এহসানুল কবির বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “সভায় অনলাইন-অফলাইনে ক্লাস চালানোর বিষয়ে আলোচনা হয়েছে কিন্তু এখনও চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হলে তা মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া হবে।” বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় প্রাথমিকের শিক্ষকদের নিয়ে সভা করে। শিক্ষামন্ত্রীর উপস্থিতিতে সে সভায়ও মিশ্র পদ্ধতিতে পাঠদানের সিদ্ধান্ত হয়। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে পাঁচদিন ক্লাস চললেও তা বাড়িয়ে ছয় দিন করে তিন দিন অনলাইনেও তিন দিন সশরীরে ক্লাস নেওয়ার সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার মন্ত্রিপরিষদ সভায় উঠবে। সেখানে এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত আসবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী এহছানুল হক মিলন। কী বলছেন অভিভাবকরা? অনলাইন পাঠদানের খবর আসার পর দুশ্চিন্তায় পড়েছেন রাজধানীর ভাটারা এলাকার শিক্ষার্থী শাহদাৎ হোসেন ফাহাদের বাবা মো. মোহন। ফাহাদ খিলবাড়ীরটেক ইসলামিয়া উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাবা ভাটারা এলাকার একটি বাড়িতে নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে কর্মরত। মোহন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলছিলেন, “বাসায়তো ডিভাইস নেই। অনলাইন ক্লাস করতে বললে একটু অসুবিধায় পড়তে হবে। “এ মুহুর্তে যে নতুন একটা স্মার্ট ফোন কিনবো, সে পরিস্থিতিও নেই।” ফাহাদের মতো নিম্নবিত্ত ও নিম্নমধ্যবিত্ত পরিবারের শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের কারো কারো কপালে পড়েছে। একজন সংবাদকর্মী বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, তার দুই সন্তানেই পড়ে। দুজনকে ডিভাইস দেওয়ার সক্ষমতা নেই তার। বেসরকারি একটি প্রতিষ্ঠানের একজন কর্মী বলেন, তার প্রাথমিকে পড়া মেয়ে অনলাইনে পড়ালেখার বিষয়টি বোঝেই না। তিনি বলেন, একটা ক্লাসে ৩০টি বাচ্চা থাকলেও দুই-তিনটা পাখায় হয়ে যায়। আর শিক্ষার্থীরা বাসায় থেকে অনলাইনে পড়ালেখা করলে প্রত্যকের ঘরে পাখা চলবে, ডিভাইস চালাতেও বিদ্যুৎ খরচ হবে। শুল্ক মওসুমে বিদ্যুতের ওপর বাড়তি চাপের বিষয়টিও মাথায় রাখতে হবে। আবার অনেকেরই অনলাইনে ক্লাস করার সক্ষমতা আছে। রাজধানীর উত্তরা হাইস্কুলের পঞ্চম শ্রেণির ছাত্রী রাইসা ও দশম শ্রেণির ছাত্র রাফি। তাদের বাবা চা দোকানি শান্ত আহমেদ রতন বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “বাসায় ওদের মায়ের স্মার্ট ফোন আছে। সেখানে তারা অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে। বাসায় একটা চাইনিজ স্মার্ট টিভিও আছে। সেখানেও একজন অনলাইনে ক্লাস করতে পরবে।” অনলাইন ক্লাসের বিরোধিতায় শিক্ষকরা শিক্ষকদের কেউ কেউও অনলাইন ক্লাস নেওয়ার বিরোধিতা করছেন। বুধবার প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত সভায় প্রাথমিকের শিক্ষকরা মন্ত্রী উপস্থিতিতেই এই উদ্যোগের বিরোধিতা করেন। এ সভায় উপস্থিত ছিলেন শিক্ষক নেতা ও ঢাকার কেরাণীগঞ্জের চারিগ্রাম সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক শাহিনুর আল আমিন। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “কোভিড-১৯ মহামারীর সময়ে আমরা শিশুদের অনলাইন ক্লাসে আনার শত চেষ্টা করেও সফল হতে পারিনি। আমাদের শিক্ষকদেরও সবার অনলাইনে ক্লাস নেওয়ার প্রযুক্তিগত জ্ঞানেরও অভাব আছে। প্রাথমিকের সব শিক্ষার্থীরও অনলাইনে ক্লাস করার সক্ষমতা নেই। অনেকে দরিদ্র ও অস্বচ্ছল পরিবারের সন্তান প্রাইমারিতে পড়ে। “এ বিষয়গুলো তুলে ধরে সভায় আমরা বলেছিলাম, অনলাইন ক্লাসের বিষয়ে চিন্তা না করতে। কিন্তু মন্ত্রী মহোদয়ের কথা মনে হল তিনি অনলাইনে ক্লাসের বিষয়ে ডিটারমাইন্ড।” রাজধানীর পুরান ঢাকার সুরিটোলা সরকারি মডেল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আনিসুর রহমানও ওই সভায় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আসলে শহরাঞ্চলের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সবার অনলাইনে ক্লাস করার সক্ষমতা বা ডিভাইস নেই। আবার যাদের সে সক্ষমতা আছে তাদের মধ্যে ডিজিটাল ডিভাইসের অপব্যবহার হওয়ার সম্ভাবনা আছে। “এ বিষয়গুলো আমরা মন্ত্রী মহোদয়কে জানিয়েছিলাম। তিনিও অনলাইন ক্লাসের পক্ষ তার যুক্তি উপস্থাপন করেছেন।” করোনাভাইরাসের সংক্রমণের কারণে ২০২০ সালের মার্চে দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে এসব প্রতিষ্ঠানে অনলাইনে শ্রেণিকার্যক্রম পরিচালনা শুরু করা হয়। কিন্তু তেমন সাড়া মেলেনি। অনলাইনে পাঠদান কার্যক্রমে শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণের ক্ষেত্রে ইন্টারনেট সুবিধা, ডিভাইস থাকা না থাকার বিষয় তখনও আলোচনায় ছিল। সে অভিজ্ঞতা থেকে রাজধানীর ইস্কাটন গার্ডেন উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক দুলাল চন্দ্র চৌধুরী মনে করেন, জ্বালানি সাশ্রয়ের জন্য মহানগরী এলাকায় শিক্ষার্থীদের জন্য সরকার যে অনলাইন ক্লাস চালুর কথা ভাবছে, তা শিক্ষার্থীদের ওপর কোনো ইতিবাচক প্রভাব রাখবে না। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “আসলে করোনাকালেও আমরা দেখেছি, এত শিক্ষার্থীদের তেমন কোনো লাভ হয় না। শিক্ষকদেরও অনেকে অনলাইনে ক্লাস নিতে পারেন না। এ পরিস্থিতিতে একদিন ক্লাস কমানো যেত। এখন তিনদিন ক্লাস ও আর তিনদিন অনলাইন ক্লাস হলে যেটা হবে, শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা দীর্ঘ বিশ্রামের সুযোগ পাবেন। “এতে তেমন কোনো লাভ হবে বলে মনে হয় না। একদিন ক্লাস কমলে বা ক্লাসের সময় কমিয়ে দিলে হয়তো জ্বালানি সাশ্রয় হতো। কিন্তু তিনদিন অনলাইন, তিনদিন অফলাইন ক্লাসে কোনো লাভই হবে না।” কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হবে? জানে না শিক্ষা প্রশাসন মেট্রোপলিটন এলাকার শিক্ষার্থীদের জন্য সপ্তাহে তিনদিন অনলাইন ক্লাসের ব্যবস্থা করলে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হবে, তার কোনো হিসাব মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তর বা প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে নেই। জানতে চাইলে মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের মাধ্যমিক শাখার পরিচালক অধ্যাপক খান মইনুদ্দিন আল মাহমুদ সোহেল বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “অনলাইন ক্লাস নিয়ে এখনও যেসব আলোচনা, সেগুলো কোনোটাই চূড়ান্ত নয়। মন্ত্রিপরিষদ সভায় এ বিষয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে।” অনলাইন ক্লাসে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হবে সে হিসাব মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা অধিদপ্তরের কাছে নেই বলে তুলে ধরেন এ কর্মকর্তা। তার মতে, “এর ফলে মহানগরী এলাকায় যানবাহনের ওপর চাপ কিছুটা কমবে। যানজট কিছুটা কমতে পারে। তবে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হবে সে বিষয়ে সুনির্দিষ্ট কোনো তথ্য আমাদের কাছে নেই।” অনলাইন ক্লাসে জ্বালানি সাশ্রয়ের হিসাব প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের কাছেও নেই বলেছেন অধিদপ্তরের প্রশাসন শাখার উপপরিচালক আলেয়া ফেরদৌসী শিখা। এক সময় ঢাকার জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার দায়িত্বে থাকা এ কর্মকর্তা বলেন, “এতে কতটুকু জ্বালানি সাশ্রয় হবে সে হিসাব আমাদের কাছে নেই। কিন্তু যানজট কিছুটা কমতে পারে বলে ধারণা করছি।” ‘অনলাইন ক্লাস আদর্শ সমাধান নয়’ অনলাইনে ক্লাস নেওয়া আদর্শ কোনো সমাধান নয় বলে মনে করছেন শিক্ষাবিদ ও ব্র্যাক বিশ্ববিদ্যালয়ের এমেরিটাস অধ্যাপক মনজুর আহমদ। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “এটা কোনো আদর্শ সমাধান নয়। কিন্তু কিছুটা পরীক্ষা নিরীক্ষার মাধ্যমে তারা শুরু করতে পারেন। তারপরে কীভাবে এটাকে আরেকটু কার্যকর করা যায় বা সমস্যাগুলো কী দাঁড়ায়, সে বিষয়গুলো দেখতে হবে। বিশেষ করে শিক্ষকদেরও প্রস্তুতি। এসব খুবই একটা সমস্যার ব্যাপার আর কি। “শিক্ষার্থীদের সবাইও অনলাইনে ক্লাস করতে পারবে কি না, ক্লাস করলেও তার প্রভাব কী হবে সে বিষয়গুলোও ভাবা দরকার।” কোভিড-১৯ মহামারী সময়ের অভিজ্ঞতা তুলে ধরে তিনি বলেন, “আমরা তো জানি, আগের অভিজ্ঞতা থেকে জানি যে এটা কার্যকর হয় না। এটা বৈষম্য আরো বেশি সৃষ্টি করবে। যেখানে একটু উচ্চবিত্ত যারা আছেন, ওই স্কুলগুলোতে এটা ভালো কাজ করবে।” সেন্টার ফল পলিসি ডায়লগ সিপিডির জ্যেষ্ঠ গবেষণা পরিচালক এবং শিল্প, জ্বালানি ও শ্রম অধিকার বিশেষজ্ঞ খন্দকার গোলাম মোয়াজ্জেমের মতে, অনলাইন ক্লাসের মাধ্যমে কতটা জ্বালানি সাশ্রয় হবে সে তথ্যটা জনগণের সামনে আনা প্রয়োজন। তিনি বিডিনিউজ টোয়েন্টিফোর ডটকমকে বলেন, “ওই তথ্যটা সমানে আনা হলে এর থেকে উপযুক্ত জ্বালানি সশ্রয়ের আরও ভালো উপায় আছে কি-না, তা জানা প্রয়োজন। আরও ভালো উপায় যদি থাকে সেটা না করে, এটাকে প্রাধিকার দেয়াটা আমার মনে হয় যে ছাত্রদের উপরে বাড়তি চাপ প্রয়োগ করা হবে। “আমার ধারণা জ্বালানি সাশ্রয়ে আরও ভালো ব্যবস্থা নেওয়ার সুযোগ আছে।” জ্বালানি রেশনিং, ব্যক্তিগত উদ্যোগে চলা যানবাহন কমিয়ে গণপরিবহন ব্যবহারে সচেতনতা বৃদ্ধিতে জোর দিয়ে গোলাম মোয়াজ্জেম বলেন, “বিকল্প বিবেচনা না করে শিক্ষার্থীদের এই চাপ দেওয়া হলে, শিক্ষার্থীদের দুর্বল রাজনৈতিক অবস্থানের কারণে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে মনে হবে।”

Published: 02 Apr 2026, 01:51 AM

Source: https://bangla.bdnews24.com/bangladesh/f8184cf6cfbc

Rate This Content

0.0/5 | 0 ratings
Not rated yet
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Comments Section

Comments

0 Comments

Processing your comment...

Share Your Thoughts
Replying to
Preview
0 /2000
Pick an emoji
😀 😃 😄 😁 😅 😂 🤣 😊 😇 🙂 😉 😌 😍 🥰 😘 😗 😙 😚 🤗 🤩 🤔 🤨 😐 😑 😶 🙄 😏 😣 😥 😮 🤐 😯 😪 😫 😴 😌 😛 😜 😝 🤤 😒 😓 😔 😕 🙃 🤑 😲 ☹️ 🙁 😖 😞 😟 😤 😢 😭 😦 😧 😨 😩 🤯 😬 😰 😱 🥵 🥶 😳 🤪 😵 🥴 😠 😡 🤬 👍 👎 👌 ✌️ 🤞 🤟 🤘 🤙 👈 👉 👆 👇 ☝️ 🤚 🖐 🖖 👋 🤙 💪 🙏 ✍️ 💅 🤳 💃 🕺 👯 🧘 🏃 🚶 🧍 🧎 💻 📱 ⌨️ 🖱 🖥 💾 💿 📀 🎮 🎯 🎲 🎰 🎳 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 🎷 🎺 🎸 🎻 🎭 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 💕 ❤️ 💔 💖 💗 💓 💞 💝 💘 ❣️ 💟 🔥 💫 🌟 💥 💯 🎉 🎊 🎈 🎁 🏆 🥇 🥈 🥉 🏅 🎖
No comments yet

Be the first to share your thoughts!