
প্রতিবাদ লিপিতে আরো বলা হয়, "বোর্ড চেয়ারম্যান এই কমিটি অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে একটি স্বার্থনেষী মহল শিক্ষামন্ত্রী ও তাঁর পিএসকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করলে মন্ত্রী প্রথমে কমিটি স্থগিত করে পুনরায় তা অনুমোদনের নির্দেশ দেন। আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।" #এহছানুল হক মিলন #শিক্ষামন্ত্রী #কলেজ #স্কুল
ঢাকার মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন নিয়ে শীর্ষ নিউজ ডটকমের অনলাইন, ডিজিটাল ভার্সন ও প্রিন্ট ভার্সনে 'শিক্ষামন্ত্রীর এক ফোনেই কোটি টাকা, শিরোনামে প্রচারিত সংবাদটি সর্বৈব মিথ্যা বলে দাবি করেছেন প্রতিষ্ঠানের সভাপতি সাংবাদিক হামিদুল হক মানিক নিজেই। সোমবার (৪ মে) দৈনিক শিক্ষাডটডকম-এ পাঠানো এক প্রতিবাদলিপিতে এ তথ্য জানানো হয়। প্রতিবাদলিপিতে বলা হয়, ঢাকার মনিপুর উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের অ্যাডহক কমিটির অনুমোদন নিয়ে "শীর্ষ নিউজ ডটকম"এর অনলাইন, ডিজিটাল ভার্সন ও প্রিন্ট ভার্সনে "শিক্ষামন্ত্রীর এক ফোনেই কোটি টাকা," শীর্ষক সংবাদে শিক্ষামন্ত্রী ডা. আ ন ম এহছানুল হক মিলন, শিক্ষামন্ত্রীর পিএস এবং অনুমোদিত কমিটি নিয়ে এক কোটি টাকা লেনদেন সম্পর্কিত খবর প্রকাশিত হয়েছে। খবরটি সর্বৈব মিথ্যা, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যপ্রনোদিত। অ্যাডহক কমিটি অনুমোদনে শিক্ষামন্ত্রী ও তার পিএস'র সঙ্গে টাকা লেনদেন সম্পর্কিত বিষয়ে আমার এবং আমার প্রতিনিধির কোনো কথাই হয়নি। জেলা প্রশাসক ঢাকা এবং বিভাগীয় কমিশনারের নিয়ম অনুযায়ী সব কার্য সম্পন্ন করে শিক্ষাবোর্ডে কমিটি অনুমোদনের জন্য পাঠায়। প্রতিবাদ লিপিতে আরো বলা হয়, "বোর্ড চেয়ারম্যান এই কমিটি অনুমোদন দেয়। পরবর্তীতে একটি স্বার্থনেষী মহল শিক্ষামন্ত্রী ও তাঁর পিএসকে ভুল বোঝানোর চেষ্টা করলে মন্ত্রী প্রথমে কমিটি স্থগিত করে পুনরায় তা অনুমোদনের নির্দেশ দেন। আমি এই সংবাদের তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি।" এ ধরনের মিথ্যা ও বানোয়াট খবর দেশের ঐতিহ্যবাহী একটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে জড়িত-শিক্ষক-শিক্ষার্থীর সুনাম ক্ষুণ্ন হয়েছে। #এহছানুল হক মিলন #শিক্ষামন্ত্রী #কলেজ #স্কুলPublished: 04/05/2026 09:00 pm
Comments Section
Comments
Processing your comment...
Share Your Thoughts
No comments yet
Be the first to share your thoughts!