মাতৃত্বকালীন ছুটিতে লেভিট: সংবাদ সম্মেলনে এসে রুবিও জানালেন, ইরানে সামরিক অভিযান শেষ

রয়টার্স রয়টার্স
Published

মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও বলেছেন, ইরানে যুক্তরাষ্ট্রের ‘অপারেশন এপিক ফিউরি’ নামের সামরিক অভিযান শেষ হয়েছে। হরমুজ প্রণালি দিয়ে তেলবাহী নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিত করতে ‘প্রজেক্ট ফ্রিডম’ নামের নতুন যে অভিযান শুরু হয়েছে, তা প্রতিরক্ষামূলক অভিযান।

ইরানের বিরুদ্ধে সামরিক অভিযানে যুক্তরাষ্ট্র তাদের লক্ষ্যগুলো অর্জন করে ফেলেছে বলেও দাবি করেন রুবিও। গতকাল মঙ্গলবার হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিংয়ে তিনি এমন দাবি করেন।

হোয়াইট হাউসের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লেভিট মাতৃত্বকালীন ছুটিতে আছেন। এ কারণে গতকাল রুবিও হোয়াইট হাউসের প্রেস ব্রিফিং রুমে উপস্থিত হয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তর দেন, যা বিরল ঘটনা।

সংবাদ সম্মেলনে রুবিওর দেওয়া বক্তব্যকে অনেকে কংগ্রেসের সমালোচনার জবাব হিসেবে দেখছে। কংগ্রেসের কিছু সদস্য অভিযোগ করছেন, মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প কার্যত ১৯৭৩ সালের ‘ওয়ার পাওয়ারস রেজোল্যুশন’ আইন-এর শর্ত লঙ্ঘন করেছেন।

ওই আইনে বলা আছে, প্রেসিডেন্ট কংগ্রেসের আনুষ্ঠানিক অনুমোদন ছাড়া সর্বোচ্চ ৬০ দিন পর্যন্ত সামরিক অভিযান চালাতে পারেন।

গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইরানে ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্র যৌথ আগ্রাসন শুরু করে। ৪৮ ঘণ্টা পর ট্রাম্প আনুষ্ঠানিকভাবে কংগ্রেসকে এই সংঘাত সম্পর্কে অবহিত করেন। এর মধ্য দিয়ে ১৯৭৩ সালের আইন অনুযায়ী ৬০ দিনের সময়সীমা শুরু হয়। সেই সময়সীমা গত শুক্রবার ১ মে শেষ হয়। এর মধ্যে যুদ্ধ শেষ করা বা কংগ্রেসে তা বৃদ্ধি করার যুক্তি উপস্থাপন করার বাধ্যবাধকতা ছিল। এই বাধ্যবাধকতা এড়াতে হোয়াইট হাউস শুক্রবার ঘোষণা করে, অপারেশন এপিক ফিউরির আওতায় শত্রুতামূলক কার্যক্রম শেষ হয়েছে।

গতকাল সংবাদ সম্মেলনে মার্কো রুবিওর কণ্ঠে একই কথাই প্রতিধ্বনিত হয়। তিনি বলেন, ‘অপারেশন এপিক ফিউরি শেষ হয়েছে। আমরা এর লক্ষ্যগুলো অর্জন করেছি। আমরা অতিরিক্ত সংঘাত চাই না। আমরা শান্তির পথই চাই। প্রেসিডেন্ট একটি চুক্তি চান।’

রুবিও বলেন, হরমুজ প্রণালি খুলে দেওয়ার উদ্দেশ্যে প্রজেক্ট ফ্রিডম নামের নতুন যে অভিযান শুরু হয়েছে, তা আকারে ছোট এবং মূল যুদ্ধ পরিকল্পনা থেকে আলাদা। তিনি এটিকে একটি প্রতিরক্ষামূলক অভিযান হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের ওপর হামলা না হলে তারা সামরিকভাবে জড়াবে না।

রুবিও আরও দাবি করেন, এই অভিযানে ১০ জন বেসামরিক নাবিক নিহত হয়েছেন। যদিও এর বিস্তারিত কোনো তথ্য তিনি দেননি। একই সঙ্গে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উপসাগরীয় অঞ্চলে আটকে থাকা ৮৭টি দেশের প্রায় ২৩ হাজার মানুষকে সাহায্য করার লক্ষ্য নিয়ে এই অভিযান চলছে।

Published: প্রকাশ: ০৬ মে ২০২৬, ০৭: ১০

Source: https://www.prothomalo.com/world/usa/9xehkgu37e

Rate This Content

0.0/5 | 0 ratings
Not rated yet
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Comments Section

Comments

0 Comments

Processing your comment...

Share Your Thoughts
Replying to
Preview
0 /2000
Pick an emoji
😀 😃 😄 😁 😅 😂 🤣 😊 😇 🙂 😉 😌 😍 🥰 😘 😗 😙 😚 🤗 🤩 🤔 🤨 😐 😑 😶 🙄 😏 😣 😥 😮 🤐 😯 😪 😫 😴 😌 😛 😜 😝 🤤 😒 😓 😔 😕 🙃 🤑 😲 ☹️ 🙁 😖 😞 😟 😤 😢 😭 😦 😧 😨 😩 🤯 😬 😰 😱 🥵 🥶 😳 🤪 😵 🥴 😠 😡 🤬 👍 👎 👌 ✌️ 🤞 🤟 🤘 🤙 👈 👉 👆 👇 ☝️ 🤚 🖐 🖖 👋 🤙 💪 🙏 ✍️ 💅 🤳 💃 🕺 👯 🧘 🏃 🚶 🧍 🧎 💻 📱 ⌨️ 🖱 🖥 💾 💿 📀 🎮 🎯 🎲 🎰 🎳 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 🎷 🎺 🎸 🎻 🎭 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 💕 ❤️ 💔 💖 💗 💓 💞 💝 💘 ❣️ 💟 🔥 💫 🌟 💥 💯 🎉 🎊 🎈 🎁 🏆 🥇 🥈 🥉 🏅 🎖
No comments yet

Be the first to share your thoughts!