
টানা বর্ষণ ও উজানের পানিতে হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের আর্থিক...
টানা বর্ষণ ও উজানের পানিতে হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত এক লাখ পরিবারকে আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে বলে জানিয়েছেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু। তিনি বলেন, ক্ষতিগ্রস্তদের সহায়তায় ইতোমধ্যে প্রায় এক লাখ পরিবারকে চিহ্নিত করা হয়েছে। তাদের আর্থিক সহায়তার পাশাপাশি খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে। সোমবার (৪ মে) রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে জেলা প্রশাসক সম্মেলনের পর ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের এ কথা জানান তিনি। মন্ত্রী বলেন, ‘অতিরিক্ত বৃষ্টি এবং উজানের পানি আসার কারণে কোনো কোনো জেলায় দেখা যাচ্ছে যে, ৪০ ভাগ ফসল ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, ৬০ ভাগ ফসল পানির নিচে ডুবে গেছে। আমরা যেহেতু ডিজাস্টার নিয়ে কাজ করি, দুর্যোগ হলে আমরা সেখানে কাজ করতে যাচ্ছি। আমরা সেখানে একটি তালিকা তৈরি করার চেষ্টা করেছি, ছয়টি জেলায়। প্রায় এক লাখ পরিবারকে আমরা চিহ্নিত করেছি। আগামী তিন মাস তাদেরকে আর্থিক সহায়তা এবং কিছু খাদ্য সহায়তা দেওয়া হবে।’ ত্রাণমন্ত্রী বলেন, ‘কৃষি পুনর্বাসনের জন্য কৃষি ম্ত্রণালয়কে নির্দেশনা দেওয়া হবে। আর পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ও এ ব্যাপারে কাজ করছে।’ ত্রাণমন্ত্রী আরও বলেন, ‘হাওর অঞ্চলে বারবার ফসল ক্ষতির বিষয়টি গবেষণার বিষয়। এ লক্ষ্যে আমি নিজে কৃষিমন্ত্রী, অর্থ উপদেষ্টা ও প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিবসহ সংশ্লিষ্টরা সুনামগঞ্জ সফর করবেন।’ বজ্রপাতের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘বজ্রপাতকে ডিজাস্টার হিসেবে ঘোষণা করা আছে এবং এ বছরও বজ্রপাতে অনেক মানুষ মারা গেছে। এখানে কৃষকরা যাতে ওই সময়ে, বিশেষ করে যারা ধান কাটার সময় মাঠে অবস্থান করে থাকেন, তাদের জন্য শেল্টার বানানো হবে। এটা আমরা আজকে জেলা প্রশাসকদের বলছি, ওনারা অ্যাসেসমেন্ট করবেন। হাওড় এবং উত্তর অঞ্চলে এটা ব্যাপকভাবে হয়। শেল্টার বানানো হবে এবং সেখানে টাওয়ার করে দেব যাতে বজ্রপাতের নিরোধ হয় এবং তারা ওই সময় আশ্রয় নিতে পারেন। সেখানে আমরা সাইরেন দিয়ে সব কৃষককে অ্যালার্ট করে দেব।’ আসাদুল হাবিব দুলু বলেন, ‘দুর্যোগ নিয়ে তিনটা স্তরে কাজ করা হয়ে থাকে। দুর্যোগ শুরু হওয়ার পূর্বকালীন সতর্কবাণী দেওয়া হয়। প্রস্তুতির মধ্যে হচ্ছে যেসব আশ্রয়কেন্দ্র যেগুলো নির্মাণ করা হয়েছে, অথবা যেগুলো স্কুল-প্রতিষ্ঠানে আছে, সেখানে আশ্রয় নিতে বলা। দুর্যোগ চলাকালীন তাদের খাদ্য সামগ্রী দিয়ে সহায়তা করা। আবার দুর্যোগের পরে তাদের পুনর্বাসনের কাজ করা। তিনটা স্তরে কাজ করে থাকে মন্ত্রণালয়। এবারেও সে প্রস্তুতি আমাদের আছে।’Published: প্রকাশ : ০৪ মে ২০২৬, ২১:৪৯
Comments Section
Comments
Processing your comment...
Share Your Thoughts
No comments yet
Be the first to share your thoughts!