একাধিকবার সেরা সুন্দরী, তাঁর সৌন্দর্য প্রচলিত গ্ল্যামারের বাইরে

বিনোদন ডেস্ক বিনোদন ডেস্ক
Published on
1 views
1 impressions

সর্বকালের সেরা আবেদনময়ী চলচ্চিত্র তারকাদের তালিকায় বহুবার জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রীর আজ জন্মদিন।

হলিউডের গ্ল্যামার, সৌন্দর্য ও অভিনয়—এই তিনের এক অনন্য সমন্বয়ের নাম মিশেল ফাইফার। সর্বকালের সেরা আবেদনময়ী চলচ্চিত্র তারকাদের তালিকায় বহুবার জায়গা করে নেওয়া এই অভিনেত্রীর জন্মদিন ছিল গতকাল। দিনটি ঘিরে ভক্তদের মাঝে নতুন করে আলোচনায় এসেছে তাঁর ক্যারিয়ার, ব্যক্তিগত জীবন ও পর্দার বাইরে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি। কেমন ছিল ক্যারিয়ারের গল্প? তারকাখ্যাতির পথচলা ১৯৫৮ সালের ২৯ এপ্রিল জন্মগ্রহণ করেন মিশেল ফাইফার। ১৯৮০-এর দশক থেকেই হলিউডে নিজের শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। ‘স্কারফেস’, ‘ব্যাটম্যান রিটার্নস�� ও ‘দ্য ফ্যাবুলাস বেকার বয়েস’–এর মতো চলচ্চিত্রে অভিনয়ের মাধ্যমে তিনি শুধু জনপ্রিয়ই হননি, সমালোচকদের কাছেও প্রশংসিত হয়েছেন। তাঁর পর্দার উপস্থিতি ছিল একই সঙ্গে শক্তিশালী ও আকর্ষণীয়, যা তাঁকে ‘পর্দার আবেদনময়ী’ তারকা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছিল। সবকিছুকে ছাপিয়ে আলোচনায় ছিল তাঁর অভিনয়। তিনি তিনবার অস্কারে মনোনয়ন পেয়েছিলেন। আবেদনময়ীর প্রতীক ১৯৮০ ও ১৯৯০-এর দশকে বিশ্বের বিভিন্ন ম্যাগাজিন, বিশেষ করে ‘সুন্দরী’ বা ‘সেরা আবেদনময়ী’র তালিকায় নিয়মিত জায়গা করে নিতেন ফাইফার। তাঁর সৌন্দর্য ছিল প্রচলিত গ্ল্যামারের বাইরে, একধরনের স্বাভাবিক, আত্মবিশ্বাসী ও রহস্যময় আকর্ষণ। অনেক সমালোচক মনে করেন তিনি এমন এক আবেদন তৈরি করেছিলেন, যা কেবল বাহ্যিক নয়, বরং ব্যক্তিত্বের গভীরতা থেকেও এসেছে। ১৯৯৫ সালে ‘এম্পায়ার’ ম্যাগাজিনের সর্বকালের শীর্ষ আবেদনময়ীর তালিকায় তিনি ছিলেন ৩ নম্বরে। তাঁকে ধরা হতো আবেদনময়ীর প্রতীক। ব্যক্তিগত জীবন ও প্রেম ক্যারিয়ারের মতো মিশেল ফাইফারের ব্যক্তিগত জীবনও কম আলোচিত নয়। তিনি প্রথমে অভিনেতা পিটার হরটনকে বিয়ে করেছিলেন, তবে সেই সম্পর্ক টেকেনি। পরবর্তী সময় ১৯৯৩ সালে টেলিভিশন প্রযোজক ডেভিড ই কেলিকে বিয়ে করেন এবং এখনো তাঁদের দাম্পত্য জীবনে সুখে বসবাস করছেন। তারকা দম্পতি হিসেবেও তাঁরা প্রশংসিত। তবে তাঁর জীবনের একটি গুরুত্বপূর্ণ অধ্যায় হলো মাতৃত্ব। তিনি একটি কন্যাশিশু দত্তক নেন এবং পরে নিজেও সন্তান জন্ম দেন। পরিবারকে সব সময়ই তিনি ক্যারিয়ারের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দিয়েছেন, যার কারণে একসময় ইচ্ছাকৃতভাবে হলিউড থেকে দূরেও ছিলেন। নিজের সম্পর্কে তাঁর দৃষ্টিভঙ্গি একসময় ক্যারিয়ার থেকে বিরতি নিয়েছিলেন। তখন অনেকেই মনে করেছিলেন তিনি হারিয়ে যাবেন। পরে মার্বেল সিরিজের চলচ্চিত্রে তাঁর উপস্থিতি নতুন প্রজন্মের কাছেও তাঁকে পরিচিত করে তোলে। আবার শক্ত অবস্থান তৈরি করেন। মিশেল ফাইফার সব সময় বলতেন, সৌন্দর্য কখনোই স্থায়ী নয়, কিন্তু আত্মবিশ্বাস ও নিজেকে জানার ক্ষমতা একজন মানুষকে দীর্ঘসময় আকর্ষণীয় করে রাখে। তিনি আরও মনে করেন, হলিউডে নারীদের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি ধীরে ধীরে বদলাচ্ছে। তিনি ধনী তারকাদের একজন এই অভিনেত্রী ২০২৪ সালে শীর্ষ ধনী তারকাদের তালিকায় ৪২ নম্বরে ছিলেন। সিনেমায় অভিনয় করলেও তিনি মডেলিং এবং ফ্যাশন হাউসগুলোর প্রতিনিধিত্ব করে সবচেয়ে বেশি টাকা আয় করেন। আজকের দিনে দাঁড়িয়ে মিশেল ফাইফার শুধু একজন ‘আবেদনময়ী অভিনেত্রী’ নন, তিনি এক যুগের প্রতীক। তাঁর সৌন্দর্য, অভিনয় ও ব্যক্তিত্ব—সব মিলিয়ে তিনি প্রমাণ করেছেন, আকর্ষণ শুধু চেহারায় নয়, বরং আত্মবিশ্বাস ও গভীরতায়।

Published: প্রকাশ: ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৭: ১৫

Source: https://www.prothomalo.com/entertainment/hollywood/glx9w3qad0

Rate This Content

0.0/5 | 0 ratings
Not rated yet
5
0
4
0
3
0
2
0
1
0

Comments Section

Comments

0 Comments

Processing your comment...

Share Your Thoughts
Replying to
Preview
0 /2000
Pick an emoji
😀 😃 😄 😁 😅 😂 🤣 😊 😇 🙂 😉 😌 😍 🥰 😘 😗 😙 😚 🤗 🤩 🤔 🤨 😐 😑 😶 🙄 😏 😣 😥 😮 🤐 😯 😪 😫 😴 😌 😛 😜 😝 🤤 😒 😓 😔 😕 🙃 🤑 😲 ☹️ 🙁 😖 😞 😟 😤 😢 😭 😦 😧 😨 😩 🤯 😬 😰 😱 🥵 🥶 😳 🤪 😵 🥴 😠 😡 🤬 👍 👎 👌 ✌️ 🤞 🤟 🤘 🤙 👈 👉 👆 👇 ☝️ 🤚 🖐 🖖 👋 🤙 💪 🙏 ✍️ 💅 🤳 💃 🕺 👯 🧘 🏃 🚶 🧍 🧎 💻 📱 ⌨️ 🖱 🖥 💾 💿 📀 🎮 🎯 🎲 🎰 🎳 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 🎷 🎺 🎸 🎻 🎭 🎪 🎨 🎬 🎤 🎧 🎼 🎹 🥁 💕 ❤️ 💔 💖 💗 💓 💞 💝 💘 ❣️ 💟 🔥 💫 🌟 💥 💯 🎉 🎊 🎈 🎁 🏆 🥇 🥈 🥉 🏅 🎖
No comments yet

Be the first to share your thoughts!